
গত পহেলা এপ্রিল মুক্তি পেল ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামকে কেন্দ্র করে নির্মিত শিশুতোষ চলচ্চিত্র “আমার বন্ধু রাশেদ”।ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ব্যনারে মুহাম্মদ জাফর ইকবালের গল্প অবলম্বনে মোরশেদুল ইসলামের পরিচালনায় নির্মিত এই চলচ্চিত্র মুক্তি পায় রাজধানী ঢাকার ছয়টি প্রক্ষাগৃহে।ছবিটি সম্পর্কে মোরশেদুল ইসলামের যে বর্ননা তা অনেকটা এ রকম-
“ছবির মূল চরিত্র রাশেদ হঠাৎ স্কুলে হাজির হয়। তার নাম আসলে রাশেদ নয়, স্কুলের শিক্ষক তাঁর ছাত্রদের নিয়ে রাশেদকে এই নামটি দিয়েছিলেন। ছবিতে দেখা যায়, একাত্তরের উত্তাল দিনগুলো যখন ছোট ছোট ছেলেরা বুঝতে পারছে না, রাজনীতিসচেতন রাশেদ তখন ঠিক তার মতো করে সেটা সবাইকে বুঝিয়ে দিচ্ছে।
একসময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী দেশটির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং একদিন এই ছোট শহরেও তারা এসে হাজির হয়। ভয়ংকর এক ধ্বংসলীলার সাক্ষী হয়ে থাকে রাশেদ। স্বাধীনতাসংগ্রামের শুরুতে মুক্তিবাহিনীকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসে সে। সঙ্গে কয়েকজন বন্ধু। সম্মুখযুদ্ধে বন্দী হয়ে যায় তাদের পরিচিত একজন মুক্তিযোদ্ধা। একদিন রাশেদ ও তার বন্ধুরা তাকে মুক্ত করে নিয়ে আসে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে।
কিন্তু যুদ্ধের ডামাডোলে রাশেদ ও তার বন্ধুদের একসময় বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে হয়। রাশেদ আরও গভীরভাবে জড়িয়ে পড়ে যুদ্ধে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সব বন্ধু যখন আবার একত্র হয় ছোট্ট শহরটিতে, তারা আবিষ্কার করে রাশেদ নামের বিচিত্র ছেলেটি আর নেই। কিন্তু রাশেদের স্মৃতি তার বন্ধুদের হূদয়ে বেঁচে থাকে চিরদিন।”
একসময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী দেশটির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং একদিন এই ছোট শহরেও তারা এসে হাজির হয়। ভয়ংকর এক ধ্বংসলীলার সাক্ষী হয়ে থাকে রাশেদ। স্বাধীনতাসংগ্রামের শুরুতে মুক্তিবাহিনীকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসে সে। সঙ্গে কয়েকজন বন্ধু। সম্মুখযুদ্ধে বন্দী হয়ে যায় তাদের পরিচিত একজন মুক্তিযোদ্ধা। একদিন রাশেদ ও তার বন্ধুরা তাকে মুক্ত করে নিয়ে আসে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে।
কিন্তু যুদ্ধের ডামাডোলে রাশেদ ও তার বন্ধুদের একসময় বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে হয়। রাশেদ আরও গভীরভাবে জড়িয়ে পড়ে যুদ্ধে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সব বন্ধু যখন আবার একত্র হয় ছোট্ট শহরটিতে, তারা আবিষ্কার করে রাশেদ নামের বিচিত্র ছেলেটি আর নেই। কিন্তু রাশেদের স্মৃতি তার বন্ধুদের হূদয়ে বেঁচে থাকে চিরদিন।”
কাহিনীর প্রয়োজনে মূল গল্প থেকে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে বলেও জানায় পরিচালক। ১০০ মিনিট দৈর্ঘ্যের ছবিটির চিত্রনাট্য লিখেছেন মোরশেদুল ইসলাম ও বরকত উল্লাহ। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাইসুল ইসলাম আসাদ, পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, গাজী রাকায়েত, ওয়াহিদা মল্লিক, আরমান পারভেজ মুরাদ, হুমায়রা হিমু, এনামুল হক চৌধুরী, জয়িতা আফনান, রায়হান ইফতেশাম চৌধুরী, রিফায়েত জিন্নাত, ফাইয়াজ বিন জিয়া, লিখন রাহী, কাওসার আবেদিন, কাজী রায়হান প্রমুখ। সংগীত পরিচালনা করেছেন ইমন সাহা।
ছবিটি এখন পর্যন্ত সফল ভাবে চলছে প্রেক্ষাগৃহগুলোতে।আশারাখি ছবিটি সবার কাছে ভালো লাগবে।